মাছধরা

অদ্ভুত মাছধরা! [Story]

মাছ ধরা এত সহজ কাজ নয়। যে ধরতে যায় সেই বুঝে কত কষ্টের কাজ এটা। মাছ ধরার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হচ্ছে ধৈর্য। আল্লাহর রহমতে লাকি হাসানের এই জিনিসটার কোন কমতি নেই। তার তেমন কিছুই দরকার পড়ে না। শুধু একটা ছিপ হলেই হল। তার অবশ্য বেশ কয়েকটা বিভিন্ন ধরনের ছিপ রয়েছে। বড় পুকুরে মাছ ধরার জন্য বড় ছিপ। তখন বড়শীর আকারও বড় হয়। ছোট খাল বা ডোবা হলে ছোট মাপের বরশীই যথেষ্ট। মাছ ধরা তার এমন এক আজব নেশায় পরিণত হয়েছে যে তা ভাষায় প্রকাশ করার মত না।  

 

ছোট খাল যেমন নদীতে গিয়ে মেশে, ঠিক তেমনি এই নেশাটা তার মামার কাছ থেকে পেয়েছে সে। যাকে সে আদর করে ছোট মামাবলে ডাকে। মামাও তাকে একটা নাম দিয়েছে সেটা হল ‘ট্যাবলেট। এই নামে ডাকলেই লাকি তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে। মামা থাকেন চট্টগ্রামে। ওখানে ভাল চাকরী করেন। যখনি লম্বা কোন ছুটি পান, তখন চলে আসেন লাকিদের কাছে নোয়াখালীর রামগঞ্জে। ঐ সময়টায় সবচেয়ে বেশী খুশি হয় লাকি। সারা বছর সে মনেমনে অপেক্ষার প্রহর গুনে কখন মামা আসবে? মামা বরশীর চেয়ে জাল দিয়ে মাছ ধরাই বেশী পছন্দ করেন। ছোটো মাপের জাল হলেই চলে ওনার। লাকিকে ছোটো মামা প্রায়ই একটা কথা বলেন-

 

- বুঝলি ট্যাবলেট, একই জায়গায় বারবার মাছ ধরতে গেলে মাছেরা চালাক হয়ে যায়। এ কথা লাকি যতবার শুনে ততবারই তার ফোকলা দাঁত বের করে হাসতে থাকে। হাসি যেন কোন বাঁধ মানেনা তখন। এ কথায় তার হাসির গতি বেড়ে যায় সম্ভবত এ কারণে যে সে এটাকে তাকে ট্যাবলেট বলে ডাকার জন্য প্রতিশোধ হিসেবে ধরে নিয়েছে।

 

লাকির বয়স কম হলেও বুদ্ধি বেশ ভাল। সে বলে,

 

- ছোট মামা, কি বলো আবোলতাবোল? মাছেরা কি মানুষ নাকি যে তারা চালাকি করবে?

 

- তোর বিশ্বাস হয় না ট্যাবলেট?

 

- ট্যাবলেট একটা বাজে নাম। এই নামে ডাকা বন্ধ কর নাহলে আমি আর তোমার সাথে মাছ ধরতে যাব না।

 

- ঠিক আছে ট্যাবলেট! তোর যাওয়ার দরকার নাই। তুই বাসায় গিয়ে নাকে তেল দিয়ে ঘুমা, যা।

 

এ কথায় লাকির মেজাজ একেবারে চরমে উঠলো। কিন্তু সে কিছুই বলল না। রাগে তার সারা মুখ লাল হয়ে গেছে। মামা খুব ভাল করেই জানে যে লাকি মাছ ধরার নেশা ছাড়তে পারবেনা। তাই তাকে নিয়ে বেশী করে মজা করছে। লাকি বললো,

 

-    ঠিক আছে, আমাকে ট্যাবলেট ডাকতে চাও ডাকো। কোন সমস্যা নেই। তবে আমিও আজ থেকে তোমাকে ক্যাপসুল মামাবলে ডাকবো। এমনকি অন্য মানুষের সামনেও ডাকবো। এবার দেখি মজা!

 

ক্যাপসুল মামা

 

এবার মামা আসলেই কুপোকাত হয়েছে ভাগিনার কাছে। তিনি মুচকি হাসি দিয়ে বললেন,

 

- ঠিক আছে ট্যাবলেট। থুক্কু, সরি, লাকি, আজ থেকে তোকে আমি আর ট্যাবলেট বলে ডাকবো না।লাকি বলেই ডাকবো। এখন খুশি তো? এ কথা শুনে লাকি এমন জোরে লাফ দিল যেন সে একটা বাচ্চা পাখি যে কিনা আসতে আসতে ডানা মেলে আকাশে উড়তে চাচ্ছে।

 

- ইয়েস! থ্যাঙ্ক ইউ মামা। 

 

- ঠিক আছে, ঠিক আছে, আর থ্যাঙ্ক ইউদিতে হবে না।

 

এই মাছ ধরা আর না ধরা নিয়ে বাসায় কম তুলকালাম হয়নি। কতবার যে মায়ের হাতে চড় থাপ্পড় খেয়েছে তা হিসেব ছাড়া। কিন্তু তারপরও কেন জানি এই নেশাটা সে ছাড়তে পারছে না। আসলে সে ছাড়তেই চায় না। আকাশে ঘন কালো মেঘ বর্ষার আগমনী বার্তা নিয়ে এসেছে। অবিরাম বৃষ্টিও লাকিকে আটকানোর সাহস দেখায় না। ঝড়, তুফান, কালবোশেখি যাইহোক না কেন, সে কোন পাত্তা দেয় না।

 

বড়শীতে ভাল করে খাবার গেঁথে পানিতে ফেলার পর তার আর এই ইহজগত সম্বন্ধে কোন হুঁশ থাকে না। তার সমস্ত মনোযোগ থাকে পানিতে ভাসমান শলাটার দিকে। চোখ একটু সরানো মানেই মাছকে বড়শীতে গাঁথা খাবার চুরি করে পালানোর পথ করে দেয়া। লাকির পাশ দিয়ে কেউ হেঁটে যাবার সময় তাকে ডাকলে সে ঐ মানুষটির দিকে না তাকিয়েই কথা বলতে থাকে। কারণ সে মাছ ধরার কোন সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না। এমনই সংকল্পবদ্ধ সে। যেদিন মাছ ধরতে বের হয়, সেদিন ছোট হোক বা বড়, মাছ ধরা তার চাই! তার অগাধ বিশ্বাস এই যে সে যদি বাসায় বড় মাছ নিয়ে ফিরে তাহলে সবাই তার এই নেশাটাকে বৈধতা দেবে। তাছাড়া খালি হাতে ফেরাটা তার নিজের জন্য অপমানজনক। 

 

একদিন বিকেলবেলা লাকি মাছ ধরার ছিপ আর মাছের খাবার নিয়ে বাড়ীর সামনের পুকুর পাড়ে গিয়েছে। এই সময়টা তার খুব পছন্দের কারণ বাসায় সবাই ঘুমিয়ে থাকে আর সে চুপিসারে বেরিয়ে পড়ে। যাইহোক, বড়শীতে খাবার গেঁথে অনেক দূরে গভীর পানিতে ফেলে আর কিছুক্ষণ পর তুলে আনে। এইরকম চলল অনেকক্ষণ। মাছের দেখা আর মিলে না। এদিকে সন্ধ্যাও হয়ে এলো প্রায়। চিত্রশিল্পী যেমন ছবি আকার পরে দূর থেকে নিজের শিল্পকর্মটি ভাল করে লক্ষ্য করেঠিক তেমনি প্রতিবার বড়শী পানিতে ফেলার পর লাকি দূর থেকে শলাটার দিকে তাকিয়েই থাকে। মাছের খাবার আর বেশী বাকি নেই। বড়জোর দুইবার গেঁথে ফেলা যাবে। বড়শীটা আবার ফেললো সে। যে জায়গাটায় ফেলেছে সেখানে পানির ছোট ছোট বুদবুদ দেখে লাকির মন আনন্দে ভরে উঠে। কারণ সে এটার মর্ম বুঝে। তার ছোট মামা তাকে একদিন বলেছে,   

 

- যখনি জাল পানিতে ফেলার পর দেখবি ছোট অথবা বড় আকারে বুদবুদ ভেসে উঠছে, তখন বুঝতে পারবি জালের ভেতর মাছ আটকা পড়েছে। মাছ জাল ছিঁড়ে বের হতে চাচ্ছে বলেই বুদবুদের সৃষ্টি

 

- মাছ যদি অনেক বড় হয়, মামা?

 

- সহজ হিসাব। মাছ ছোট হলে ছোট বুদবুদ, বড় হলে বড় বুদবুদ।

 

লাকি লক্ষ্য করলো আজ সে যে বুদবুদ দেখছে তা ছোটও নয় আবার বড়ও নয়- মাঝামাঝি। 

 

যাইহোক, তার এটা মনে হয়ে খুশি লাগছে যে মাছ বরশীর আশেপাশে ঘুরছে। তাই সে আরও বেশী সতর্ক হয়েছে। এমনকি উত্তেজনায় সে ছিপ হাতে নিয়ে নিয়েছে। আরও অনেক সময় অতিক্রান্ত হয়েছে, কিন্তু আশার আলোর ছিটেফোঁটাও দেখা যাচ্ছে না। অগত্যা একটু বিরক্তির সাথে বড়শীটা তুলে নিয়ে আবার ফেলেছে। এটা আজকের জন্য তার শেষ চেষ্টা। সূর্য দূরের ঐ সবুজ গাছের সারির ভেতরে মিলিয়ে যাবার আগেই লাকিকে বাসায় ফিরতে হবে। মা জানে যে লাকি তার রুমে ঘুমাচ্ছে। যদি উঠে দেখে যে তার ছেলে ঘরে নেই তখন মার একটাও মাটিতে পড়বে না!  

 

এসব ভাবতে ভাবতে কেন জানি তার চোখ ছলছল করে উঠেছে। সে নিজেও বুঝতে পারছে না কেন? প্রকৃতির নিয়ম বড়ই বিচিত্র এবং রহস্যময়! হয়তোবা মায়ের হাতে পিটুনি খাবার ভয়, অথবাআজকের মাছ ধরায় ব্যর্থতা, বা একটু পরেই তার এই অতি প্রিয় কাজটিকে বিদায় জানিয়ে চলে যেতে হবে এই অনুভূতি- কারণ যাইহোক না কেন, লাকির মন বেশ ভারী হয়ে গেছে। কিন্তু প্রকৃতিতার চোখের পানি সহ্য করতে পারেনি। তাইতো তার সামনে একটা বিরাট চমক নিয়ে এসেছে যার জন্য লাকি কখনই প্রস্তুত ছিল না। হঠাৎ সে লক্ষ্য করে যে পুকুরের যে স্থানে সে বড়শী ফেলেছে ঠিক সেখানে একটা বড় মাছ লাফ দিয়ে উঠে আবার ধপাস করে পানিতে পড়েছে। লাকির মাথা মোটেও কাজ করছে না। সে এসব কি দেখছে? এটা কি সপ্ন? সে মাছের লাফ দেয়ার কারণ অনুসন্ধানের আগেই ছিপটাতে একটা শক্ত টান অনুভব করে। এখন লাকির আজ বুঝতে বাকি থাকে না যে ঐ মাছটা বড়শী গিলেছে। ছিপটা পুকুর পাড় থেকে খানিকটা নীচে রাখা। আর দেরী না করে এক লাফে গিয়ে সে ছিপটা হাতে নেয়। আর একটু দেরী হলেই ঐ মাছটা ছিপটাকে পানিতে নিয়ে যেত! 

 

এত বড় মাছ লাকি আজ পর্যন্ত দেখেছে কিনা সন্দেহ। ভয়ে আর উত্তেজনায় তার গলা শুকিয়ে কাঠ। ছিপ দিয়ে মাছ ধরার আরেকটা নিয়ম সে খুব ভাল করেই জানে। মাছ যদি শক্তি দিয়ে দড়ি টানে তাহলে তাকে সেটা করতে দিতে হবে। কারণ একইসাথে অপর প্রান্তে দড়ি গুটাতে গেলে দুইদিকের টানে দড়ি ছিঁড়ে যাবার আশংকা থাকে। মাছ নিয়ে এক ধরণের খেলা আর কি! মাছ দড়ি টানে, লাকি ছাড়ে। মাছ একটু ক্লান্ত হয়, সে দড়ি গুটায়।এইভাবে চলতে থাকে অনেকক্ষণ। দূরের মসজিদ থেকে মাগরিবের আজান কানে ভেসে আসে। ইতোমধ্যে আরেকটা দুশ্চিন্তা এসে ভর করেছে লাকির উপর। মাছটাকে কোনমতে পাড়ে আনতে পারলে সেটাকে ডাঙ্গায় তুলতে হলে ছোট হাত জালের দরকার পড়বে। দুর্ভাগ্যবশত আজ সে হাত জাল নিয়ে আসেনি। ছোট মাপের মাছ হলে হয়ত জাল ছাড়াই হাতের টানে তুলে আনতে পারত। কিন্তু মাছটাতো বেশ বড়। আশেপাশে কাউকে দেখছে না। 

 

এই মুহূর্তে মাছটাকে হারানোর ভয় আরও বেড়েছে। লাকি কোন উপায় দেখছে না। হঠাৎ সে খেয়াল করল তাদের প্রতিবেশী আঙ্কেল রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। নাম দয়া মিয়া। চোখে একটু কম দেখেন। ওনারও মাছ ধরার শখ আছে। লাকি গলা ফাটিয়ে ডাক দেয়,

 

- আঙ্কেল, আঙ্কেল! 

 

দয়া মিয়া এত জোরে চিৎকার শুনে একটু কেঁপে উঠেছে। ওনার হার্ট অ্যাটাক হবার মত অবস্থা!

 

- কিরে, কি হয়েছে? আকাশ ভেঙ্গে পড়ল নাকি? তো জোরে ডাকছিস কেন? ফাজিল কোথাকার!

 

- আঙ্কেল, প্লিজ একটু আসেন না, প্লিজ!

 

- কি হয়েছে বলতো দেখি?

 

- আঙ্কেল, দেখতেইতো পাচ্ছেন বশীতে মাছ বিঁধেছে।

 

- হে! তাই নাকি?

 

- তো, আমি কি করবো?

 

- আপনি একটু ছিপটা ধরেন, আমি এক দৌড়ে বাসায় গিয়ে জালটা নিয়ে আসি।

 

- , জাল আনোনি! যাও, দৌড় দাও। তাড়াতাড়ি যাও।

 

দয়া মিয়া দয়া দেখিয়েছে। ছিপটা হাতে নিয়ে মাছটাকে নিয়ে খেলছে। উনি অভিজ্ঞ মানুষ। জীবনে কত মাছ ধরেছেন তা হিসাব ছাড়া! লাকি বিদ্যুতের গতিতে জাল নিয়ে হাজির। সে বলে,

 

- আঙ্কেল, আপনি মাছটাকে পাড়ে আনেন আর আমি জালে তুলে নেবো।

 

- ঠিক আছে। প্রস্তুত থাকো।

 

মাছটা প্রায় হাতের নাগালে চলে এসেছে। পানির উপর এটার পেটের একপাশ ভেসে ভেসে উঠছে। অনেকক্ষণ যুদ্ধ করার পর ক্লান্ত হয়ে পড়েছে মাছটা। মাছটা যতই কাছে আসছে, লাকির বুক ধড়ফড় বেড়ে যাচ্ছে একই তালে। হাঁটু পানিতে নেমে সে জাল নিয়ে প্রস্তুত। সে মনেমনে একটু ভয় পাচ্ছে এই ভেবে যে মাছটার ভার যদি সে সামলাতে না পারে? মাছটি যদি লেজ দিয়ে তার গালে কষে একটা লাগিয়ে পালায়? মাছটাকে এত কাছে পেয়ে কোনমতেই হারাতে রাজি নয় সে। উত্তেজনায় সে একবার মাছের গতিবিধি লক্ষ্য করে, একবার আঙ্কেলের দিকে তাকায়।

 

- আঙ্কেল, সাবধানে!

 

- ভাতিজা, চিন্তা করিও না।

 

অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ এসেছে। লাকি সুকৌশলে মাছটিকে জালবন্দী করেছে। মাছটা এত ভারী যে সে ওটার ওজন বইতে পারছে না। আঙ্কেল সাহায্য করাতে ওটা নিয়ে পুকুর পাড়ে উঠতে পেরেছে। যাক বাবা! শান্তি! ঠিক ঐ মুহূর্তে লাকির মনের যে অনুভূতি, সম্ভবত সেটার আরেক নামই হচ্ছে সফলতাযা আমাদেরকে আরনেসট হেমিংওয়ের দি ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্যা সি”-র বুড়ো সান্তিয়াগোর দৈত্যাকৃতির মারলিন মাছ ধরার কথাই মনে করিয়ে দেয়। সান্তিয়াগোর ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল না তবে লাকির ভাগ্য কিন্তু আজ তার সাথেই আছে। মাছটা বিরাট এক রুই! গায়ের রঙ এত লাল যে বলে বুঝানো যাবে না। লাকি এত লাল রুই মাছ আগে কখনও দেখেনি। ওটার গা চকচক করছে। মনে হচ্ছে যেন কেউ তেল মাখিয়ে দিয়েছে। আঙ্কেল লাকির পীঠে এক আলতো চাপড় দিয়ে বলল, - লাকি বয়! 

 

আজ এই প্রথমবার মনে হচ্ছে শুধু তার নাম লাকি না, সে নিজেও লাকিমানে ভাগ্যবান আর বিন্দুমাত্র কালক্ষেপন না করে মাছটা নিয়ে এক দৌড় দিলো বাসার দিকে। বাসার উঠোনে মাছটাকে রেখে মাকে ঘুম থেকে তুলে হাত ধরে টেনে নিয়ে আসে বাইরে। মা মাছটাকে দেখে এত অবাক হয়েছেন যে কয়েক মুহূর্তের জন্য তিনি নির্বাক হয়ে শুধু তাকিয়েই আছেন মাছটার দিকে। লাকির ঠোঁটের কোণে তৃপ্তির হাসি লেগে থাকা অবস্থায় মা তাকে সজোরে তার বুকে টেনে নিয়ে মাথায় হাত বুলাতে থাকলেন। ঠিক ঐ মুহূর্তে লাকির মনে হয় পৃথিবীর সমস্ত দুঃখ, কষ্ট, হতাশা, বেদনা ইত্যাদি জাদুময়ভাবে বিলীন হয় মায়ের ঐ স্নেহভরা আলিঙ্গনে!

View kingofwords's Full Portfolio