pathetic

So Pathetic!

They are brainwashing,


The fresh minds constantly,


They are doing it like the Satan,


For their own benefits only.


 

They have cunningly held,


The dominant positions overnight,


Not by means of popularity,


But in a way that is not right.


 

They have persuaded others spreading misinformation,

 

Completely unaware of their own imminent destruction!

View kingofwords's Full Portfolio
tags:

রাজন, একজন প্রিয়জন [Bangla Story]

রহমতপুর গ্রামে এত বৃষ্টিপাত আর কবে হয়েছে তা হয়তো ইতিহাস ঘেঁটে বের করতে হবে। বৃষ্টি হচ্ছে তো হচ্ছেই। তার সাথে তাল মিলিয়ে চলছে অবিরত বজ্রপাত। আজ যেন বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের মধ্যে এক অনন্য প্রতিযোগিতা চলছে! ছোট ছোট বাচ্চা শিশুদের মধ্যে কোনও প্রতিযোগিতা হলে যেমন কেউ কোনও প্রকারেই হারতে চায় না, ঠিক সেরকমই অবস্থা চলছে আজ বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের মধ্যে।

  

প্রকৃতি যেন আজ দেবী দুর্গার মত ক্রোধান্বিত হয়ে সকল কিছু ধ্বংস করে দেবে! যুদ্ধের ময়দানে আকাশ হতে ধাবমান ধারালো তীরের মত বৃষ্টির ভারী ভারী ফোঁটার আঘাতকে তুচ্ছজ্ঞান করে একটি ছেলে দৌড়ে এসে রহমতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণের এক পাশে জড়সড় হয়ে বসে থাকে। তার সমস্ত চেহারায় আতঙ্কের ছাপ। দেখে মনে হয় যেন কোনও এক ভয়ংকর ভূত দেখে সে পালিয়ে এসেছে!

  

ছেলেটির নাম রাজন। গোলগাল মুখ। বয়স খুব বেশী নয়- পাঁচ কিংবা ছয় হবে। গায়ের রঙ বাদামের মত। মাথাভর্তি চুল যেন এক ফুটন্ত কদম ফুল। তার চোখদুটো এত কালো যে দেখতে কালো মার্বেলের মত লাগে। বেশ কয়েক মিনিট কেটে যাবার পরও রাজনের মুখ হতে আতংকের রেশটুকু এখনও কেটে যায়নি। এখনও সে থেকে থেকে হাঁপাচ্ছে এবং ভয়ে এদিক ওদিক তাকাচ্ছে। বাঘের ভয়ে পলায়নরত হরিণ যেমন আতংকে এদিক ওদিক তাকায় ঠিক তেমনি।

  

প্রায় দশ মিনিট পর কয়েকটি রিক্সা এসে স্কুলের সামনে থামে। প্রতিটি রিক্সাতেই দুজন করে যুবক বসা। তাদেরকে দেখে বেশ অস্থির মনে হচ্ছে। বোঝাই যাচ্ছে যে তারা কাউকে খুঁজতে এসেছে। রিক্সায় থাকা মানুষগুলোকে দেখে রাজনের ভয় কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সে পালাতে যাবে এমন সময় ঐ যুবকদের মধ্যে একজন  দৌড়ে এসে তার সিল্কের মত নরম কোমল হাত সজোরে চেপে ধরে!

  

বেচারা রাজন ক্ষুধার্ত শিশুর মত হাউমাউ করে কেঁদে উঠে। আশ্চর্যজনকভাবে রাজনের চোখের বৃষ্টি শুরু হবার সাথে সাথেই আকাশের কান্না মানে বৃষ্টি থেমে যায়। রিক্সা বিদায় করে দেবার পর প্রায় দশজনের মত যুবক এসে রাজনকে ঘিরে দাঁড়ায়। তাদের হাবভাব দেখে মনে হয় যেন রাজন একজন দুর্ধর্ষ আসামী যে কিছুক্ষণ আগে জেল থেকে পালিয়েছে!

  

রাজনের গগনবিদারী চিৎকারে আরও অনেক অনেক মানুষ জড়ো হতে থাকে। এমতাবস্থায় ঐ যুবকদের মধ্যে একজন রাজনকে ‘চোর’ বলে সম্বোধন করে এবং অন্য আরেকজনকে নির্দেশ দেয় তাকে স্কুলের পিলারের সাথে বেধে ফেলার জন্য।

  

যেমন কথা তেমন কাজ। অসহায় এবং নিস্পাপ রাজনকে এমনভাবে বাধা হয়েছে যেন সে চিড়িয়াখানা ছেড়ে পালানো কোনও হিংস্র বাঘ। ইতোমধ্যে আরও অনেক মানুষ আসতে শুরু করেছে। নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ নির্বিশেষে সকল বয়সী লোকজনের সমাগম হয়েছে।

  

অগুনতি কৌতূহলী দৃষ্টি নিবদ্ধ হয়ে আছে সেই শৃঙ্খলিত রাজনের উপর। কেউ জানতে চায় না কি হয়েছে? শিশুটি কে? কেনই বা তাকে এমন পশুর মত বেধে রাখা হয়েছে? সবাই যেন সার্কাস দেখছে!

  

যুবকদের মধ্যে প্রায় সবাই রাজনের ক্ষুদ্র এবং ভঙ্গুর শরীরে এলোপাথাড়ি চড়, ঘুষি এবং লাথি মারতে থাকে যেন সে একটা ফুটবল! কয়েকজন আবার ছোট ছোট লাথি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। রাজন কাঁদছে তো কাঁদছেই। সে শুধুই বলছে, ‘আমি চোর না, আমারে ছাইড়া দেও! কেউ আমারে বাঁচাও’।

  

এসবের মধ্যে সেই যুবকদের মাঝখান থেকে একজন সামনে এসে তার মোবাইল ফোনে এই পাশবিক ঘটনা রেকর্ড করতে থাকে। সে শুধু নির্যাতনের পুরো বিষয়টি রেকর্ড করেই ক্ষান্ত হয়নি, পাশাপাশি ফেইসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে দিতে থাকে। হায় ঈশ্বর! অসভ্যতা কাকে বলে!

  

আঘাতে আঘাতে রাজনের হাতে ও পায়ে রক্ত জমাট বেধে নীল রং ধারণ করেছে। তখনও দর্শকদের মাঝখান থেকে কোনও মুরব্বী বা কোনও বিবেকবান মানুষ সামনে এসে বলে না যে এমন পাশবিক কাণ্ড এখনই থামাতে হবে। রাজনের ক্রন্দনধ্বনি সেইসব দর্শকদের বিবেককে সিক্ত করতে পারেনি।

  

ফুলের মত কোমল রাজনের পক্ষে এমন আঘাতের উপর আঘাত সহ্য করা অসম্ভব। তাই দিনের শেষে ঝরে পড়া কোনও ফুলের মত রাজন এক নতুন কিন্তু আরও বড় এবং সীমাহীন দুনিয়ার অংশ হয়ে যায়। ঢলে পড়া সূর্যের শেষ আলোক বিন্দুটির মত রাজন এ পৃথিবী ছেড়ে চিরতরে চলে যায়।

  

কষ্টের তীব্রতায় রাজন যখন কেঁদেছে, তখন তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত মানুষ হেসেছে! শেক্সপিয়ারের নাটক “The Merchant of Venice” এর নিষ্ঠুর এবং নির্দয় শাইলকও হয়তোবা রাজনের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে বলত- রাজনের রক্ত কি লাল নয়? তার কান্নার রং কি আলাদা? তার কি হৃদয় নেই? 

  

যে গ্রামের নাম রহমতপুর, সেই গ্রামের মানুষের মনে রহমতের কোনও ছিটে ফোটাও নেই। রাজনের মত একটি শিশুকে ‘চোর’ আখ্যা দিয়ে এভাবে মধ্যযুগীয় বর্বর কায়দায় কিছু মানুষ নামধারী হায়েনার দল পদতলে ফেলে পিঁপড়ার মত পিষ্ট করে মেরে ফেলার পরেও মানুষের বিবেক জাগ্রত হয় না। কি অদ্ভুত! মাঝে মাঝে মনে হয় আমাদের বিবেক বলে কিছু নেই! থাকলে সেটি জাগ্রত হবার প্রশ্ন আসে!

  

           রাজন তুমি যেখানে আছো, অনেক অনেক ভালো আছো। তোমার হারানোর কিছু নেই, তোমার লজ্জার কিছু নেই। আমরা যারা নিজেদেরকে ‘মানুষ’ বলি, যারা নিজেদের ‘সভ্য’ ও ‘বিবেকবান’ বলি, আমরাই আজ পরাজিত নিজেদের কাছে, নিজেদের চোখে। রাজন, যেখানেই আছো তুমি, ভালো থেকো।

View kingofwords's Full Portfolio
tags:

Pathetic! [Story]

             Joya has given birth to a baby boy. It is beautiful like a handsome prince. Her husband Jashim has named the boy as Suruj Ali. The word ‘suruj’ means ‘sun’ in English. It goes without saying that both the husband and wife are exceedingly delighted.


            Joya and Jashim have scarcely any relatives in the village called Rohmotpur. Joya’s cousin Jamal lives in Dhaka, the capital of Bangladesh. Every now and then, she talks to him over the phone. When Jamal has heard of the auspicious news, he gets much happy.


            The neighbours keep on visiting Joya by turn almost everyday. They do not forget to bring some gifts with them. Those who are rather impoverished can only bring blessing with them. However, for the last few days, Jashim has been distributing sweetmeat among the neighbours. The children are much satisfied devouring the candies.


            Days go by; Joya is not allowed to resume the usual household activities. Obviously, Jashim cannot stay with Joya always because he has to go to the field to take care of the farming. Yet, he has managed a maidservant to look after Joya and the baby.


            When Suruj is two years old, Joya has a nightmare. In the dream, she sees that she has become Kali of Hinduism; she is extremely angry; her ayes have turned red like the inside of the watermelon; she is running nakedly around; people are touching her big breasts and pressing them hard; she keeps on cutting their heads and piling them up; a huge mountain of cut off heads has been formed eventually. Later on, she sees that she is slaughtering a little boy whose face is not clearly seen by her. It is at this very moment that Joya wakes up.


            Joya embraces Suruj rather tightly as if she were embracing him for the last time. She looks at her husband who is having a sound sleep. Joya goes to the washroom to sprinkle some water on her face. Looking at the mirror, she becomes horrified as if there were a ghost inside the mirror! She sees that there is a vermillion on her forehead. The vermillion reminds her of the nightmare and Kali once again. She feels like crying like a baby.


            However, Joya concentrates on the daily chores. She is a hard worker. In fact, the village women are never lazy. They are rather strong and dynamic. From morning till night, they keep on working like machines!


            Joya is not that tall. But she has an excellent complexion that reminds us of peach. Her eyes are so beautiful and hypnotic. Her hair is very long like that of a princess in fantastic stories. The perfect neck and firm breasts make her exceptional among other ladies. Her waist is so contracted that it gives the impression of a slim lioness. There is no room for fat in her entire figure. In a word, nature has given her everything that a girl craves for. Other village women envy her for her natural assets! However, Joya enjoys the very feeling of others’ inferiority a lot.


            In this sense, Jashim is much fortunate to have such a wonderful wife. He is nothing compared to Joya. Even at 36, he is almost bald; due to working continuously in the sun, his complexion is becoming blacker; the scorching heat has also affected his eyes badly. He has to wear glasses to see things properly.


            However, Joya is an understanding housewife. She loves Jashim a lot. Even though poverty is ever there like an arrogant shadow, Joya is never to leave her husband alone. She believes that if we fight together, then impossible is nothing!


            One day Jashim has to go to Dhaka for a loan-purpose. Joya and Suruj bid him goodbye. It is only a visit of four days. Jashim has already bought the necessary things for her and the son. Besides, he has handed over some money to her.


            Three days have gone by. Jashim is supposed to return the next morning. Joya has sung a lullaby to make Suruj sleep. He falls asleep soon. She is also asleep after a few moments. The horrific nightmare that she saw few days back has returned. Joya sees the same things. Just before the end of the nightmare, she gets up. She is sweating a lot as if someone had dropped some water on her head!


            Joya looks at Suruj who is having a sound sleep. She takes him on her lap and reaches the yard outside. Then, she lays him on the earthy floor. She goes back to the house and searches for a scythe, which she gets soon.    


            Now, Joya is before his son. She has the scythe held tightly in her hands. It is so sharp. She looks the full moon and slaughters Suruj within a few seconds! Before the innocent child can understand anything, he has become a part of the afterlife.


            The fresh blood is all over; the trail of blood is going downward. The trail looks like the flowing river. Joya dips her palms into the blood and reddens her cheeks with it. As a result, she looks like an ancient tribal woman who has performed some sort of divine sacrifice.


            Joya does not move an inch from the dead body. She stares it indefinitely. At 6 o’clock in the morning, Jashim returns home. Seeing the frightening event before his eyes, he faints. By now, almost everyone knows about the murder.


            The police have appeared. They have arrested Joya. Jashim is still unconscious and is taken to a hospital. The neighbours are trying to find out the true reason behind the outlandish murder. Some say that perhaps a ghost has committed the killing. However, when the police ask Joya bout the slaughter, she answers that she does not know anything!

View kingofwords's Full Portfolio
tags:

Hell of a World

Folder: 
Dark

 

Living in a world of cries

Strung with death, abuse, and lies

 

Peace is damned a myth

Along with sanity and grace

Corrupted yet alienated

In this vile place

 

Where guns are standard

Prostitution and drugs too

Where abandonment is legal

And the innocent are accused

 

Our children are forgotten

They’re misguided and lost

Parents no longer helpful

No worries, no cost

 

In this pathetic world

The greedy people shine

Constant repulsive destruction

Of everything divine

 

This earth is plummeting

A single dark tear

Waiting for Hell

But it’s already here.

Author's Notes/Comments: 

The world deserves justice, not anachary. 

View truthintragedies's Full Portfolio

pitiful

the need

 

to be ugly 

 

to get

 

attention

 

 

to be pathetic

 

out of grief

 

for lives

 

destroyed

 

 

i've known

 

comatose

 

with more 

 

intelligence

 

 

 

 

 

 

2:16 AM 7/6/2013 ©

 

...............

Author's Notes/Comments: 

pitiful

PAIN INSIDE

No one understand the pain you feel inside
You try hard to make sure everyone thinks you’re happy
Although you know that fake smile you give isn’t bought by anyone
When will you show your true feelings?
When will you explain the pain you feel?
You’re afraid to let anybody in
You can’t even look anybody in the eye
Why don’t you just do it!!!!!!!!!!!!!!!
Do it!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
Show people how mad you are!
Don’t think about anybody’s’ feelings for now
Think of you and only you!
Be selfish!!! Hate everything!
Tell the people who hurt you to disappear
Tell the ones who care about you to give you space
Be alone
Feel the pain
Go through Hate
Then make it disappear
After you've experienced all that that,
Only then
Can you truly say
“I have experienced life”

Author's Notes/Comments: 

read my bitter crap